পশ্চিমবঙ্গ SIR শুরু হলো আঁধার,প্যান, রেশন কার্ড ছাড়াও কি কি ডকুমেন্টস লাগবে ।।

 পশ্চিমবঙ্গ SIR শুরু হলো আঁধার,প্যান, রেশন কার্ড ছাড়াও কি কি ডকুমেন্টস লাগবে ।।



এখন আপনার কাছে আঁধার কার্ড , প্যান কার্ড , রেশন কার্ড থাকলে যদি আপনি ভাবেন আপনি একজন ভারতীয় নাগরিক তাহলে ভুল ভাবছেন । বোম্বে হাই কোর্ট এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে। আদালত জানিয়েছে আপনাদের কাছে এই তিনটি ডকুমেন্টস থাকলেও আপনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে পারেন না । এই সব নথি পরিচয় পত্র হিসাবে বা পরিষেবা পাওয়ার জন্য কাজে লাগে , কিন্তু এই গুলি নাগরিকত্ব আইনের অধীনে নির্ধারিত মৌলিক আইনি প্রয়োজনীয়তাকে বাতিল করে না 

ভারতের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার জন্য আপনাকে কি কি ডকুমেন্টস দেখাতে হবে 

১) জন্ম সার্টিফিকেট , জন্ম শংসাপত্র একটি মৌলিক নথি , যা শিশুর জন্মের পর কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা হয় । এতে জন্ম স্থানের বিবিরন থাকে । জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন , ১৯৬৯ সালে জারি করা এই নথিটিকে নাগরিকত্ব একটি বৈধ এবং প্রাথমিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হবে । 

২) দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির সার্টিফিকেট : জন্ম শংসাপত্র ছাড়াও , দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির সার্টিফিকেটকেও নাগরিকত্ব বৈধ প্রমাণ হিসাবে বিবেচনা করা হবে । 



৩) ছাড়াও ডোমিসাইল সার্টিফিকেটও একটি শক্তিশালী প্রমাণ , যা রাজ্য সরকার দ্বারা জারি করা হয়। এটি পেতে হলে ওই ব্যক্তিকে ওই রাজ্যে তিন বছর বসবাস করতে হবে । এই ধরনের নথিগুলি , যেমন জন্ম শংসাপত্র বা ডোমিসাইল নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য । 

৪) কিছু ক্ষেতে সরকার দ্বারা জারি করা জমি বরাদ্দ শংসাপত্র বা পেনশন অর্ডারের মতো নথিও নাগরিকত্ব প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে , বিশেষ করে যদি সেইগুলি ১৯৮৭ সালের আগের হয় । 

আদালতের মতে , যদি কোনো ব্যক্তি বিরুদ্ধে বিদেশি হওয়ার বা জাল নথি ব্যবহারে অভিযোগ থাকে , তবে আদালত নাগরিকত্ব নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র পরিচয়পত্র উপর নির্ভর করতে পারে না । এই বিষয়টি কঠোর ভাবে নাগরিকত্ব আইন , ১৯৫৫ অনুযায়ী পরীক্ষা করা উচিত । জন্মসূত্রে, বংশানুক্রমে , নিবন্ধনকরণ এবং দেশীয়করণ । 

জন্মসূত্রে কি ভাবে নাগরিকত্ব পাওয়া যায় ? 

২৬ জানুয়ারি , ১৯৫০ বা তারপরে , কিন্তু ১ না জুলাই ১৯৮৭ আগে ভারতে জন্মগ্রহণকারী প্রতিটি ব্যক্তি তাদের বাবা - মায়ের জাতীয়তা নির্বিশেষে , ভারতীয় নাগরিক বলে গণ্য হবেন । 

১ জুলাই, ১৯৮৭-এর পরে এবং ৩ ডিসেম্বর, ২০০৪-এর আগে ভারতে জন্মগ্রহণকারী একজন ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক বলে গণ্য হবেন, যদি তার জন্মের সময় তার বাবা বা মায়ের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক হন।

৩ ডিসেম্বর, ২০০৪-এর পরে ভারতে জন্মগ্রহণকারী একজন ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক বলে গণ্য হবেন, যদি তার বাবা বা মায়ের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক হন এবং অন্যজন অবৈধ অভিবাসী না হন।

যদি কোনো ব্যক্তির জন্ম ভারতের বাইরে হয়ে থাকে, কিন্তু তার বাবা বা মায়ের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক হন, তাহলে তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে

ভারতীয় বংশোদ্ভূত একজন ব্যক্তি যিনি কমপক্ষে সাত বছর ধরে ভারতে বসবাস করছেন, তিনি নিবন্ধীকরণের মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। একজন ব্যক্তি যিনি একজন ভারতীয় নাগরিককে বিবাহ করেছেন এবং কমপক্ষে সাত বছর ধরে ভারতে বসবাস করছেন, তিনিও

যে কোনও ব্যক্তি যিনি ১২ বছর ধরে ভারতে বসবাস করছেন এবং নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত শর্তগুলি পূরণ করেন, তিনি দেশীয়করণের মাধ্যমে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।

নাগারকত্ব পাওয়ার জন্য যেকোনো ব্যক্তিকে ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এ নির্ধারিত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হবে এবং অনলাইন বা অফলাইনে আবেদন করতে হবে।

নিচে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম গ্রুপটিকে অবশ্যই জয়েন করে রাখুন ।।


চ্যানেল টিকে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন:-https://youtube.com/@sp12creation?si=YewI52c3QINWVl5G

লিংক Whatsapp:- https://chat.whatsapp.com/FCD0YdqNw4I4xk6FUwAWfW

Telegram গ্রুপে join হয়ে যান:- https://t.me/s/sp12creation

Comments

Popular posts from this blog

পিএম কিষান 19 তম কিস্তির টাকা এবার এই সব কৃষকরা পাবেন না . Pm kisan 19th installment payment news today.

PM Kisan: কৃষকদের ডবল টাকা দেবে কেন্দ্র সরকার। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মানিত যোজনা টাকার পরিমাণ ১২০০০ হাজার হচ্ছে

কেন্দ্র সরকার থেকে দিচ্ছে ১৫০০০ টাকা সব ছেলে ও মেয়েদের জন্য । বিকশিত ভারত যোজনা শুরু হলো গোটা ভারত জুড়ে।।